ঘুম আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু সবার ঘুমানোর ধরণ এক নয়। কেউ রাতে ভালো ঘুমান, কেউ আবার দিনের বেলায় একটু ঝিমিয়ে নেন। এই ঝিমিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটাকেই আমরা বলি "ন্যাপ" বা "ঝিম"। এই লেখায় আমরা আলোচনা করবো ৫ ধরণের ন্যাপারদের সম্পর্কে।
দ্য পাওয়ার ন্যাপার
এই ন্যাপাররা সাধারণত ২০-৩০ মিনিটের জন্য ঝিমিয়ে থাকেন। এই স্বল্প সময়ের ঘুম তাদের দিনের বাকিটা সময়ের জন্য রিফ্রেশ করে তোলে। তাদের কাজের উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি পায়।
দ্য রিকুপারেটিভ ন্যাপার
রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে এই ন্যাপাররা দিনের বেলায় ঘুমিয়ে ঘাটতি পূরণ করেন। এই ন্যাপ সাধারণত ৯০ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে।
দ্য প্রোফাইল্যাক্টিক ন্যাপার
এই ন্যাপাররা জানেন যে রাতে তাদের ঘুম হবে না, তাই আগে থেকেই দিনের বেলায় ঘুমিয়ে রাখেন। যেমন, রাতে কাজ করার আগে কিছুক্ষন ঘুমিয়ে নিলে রাতজাগার ক্লান্তি অনেকটা কমে যায়।
দ্য অ্যাপটিচুডিনাল ন্যাপার
এই ন্যাপাররা নিয়মিত ঝিমিয়ে নেন, তাদের কোনো বিশেষ কারণ লাগে না। তারা শুধুই ঘুমাতে ভালোবাসেন। এই ধরণের ন্যাপ সাধারণত ৩০-৬০ মিনিটের মধ্যে হয়।
দ্য ফুলফিলমেন্ট ন্যাপার
শিশু এবং বাচ্চাদের এই ধরণের ন্যাপের প্রয়োজন হয়। তাদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য। শিশুরা দিনে বেশ কয়েকবার ঝিমিয়ে থাকে।
| ন্যাপের ধরণ | সময়কাল | কারণ |
|---|---|---|
| পাওয়ার ন্যাপ | ২০-৩০ মিনিট | রিফ্রেশমেন্ট |
| রিকুপারেটিভ ন্যাপ | ৯০ মিনিট পর্যন্ত | ঘুমের ঘাটতি পূরণ |
| প্রোফাইল্যাক্টিক ন্যাপ | পরিবর্তনশীল | ঘুমের ঘাটতি প্রতিরোধ |
| অ্যাপটিচুডিনাল ন্যাপ | ৩০-৬০ মিনিট | ঘুমের প্রতি ভালোবাসা |
| ফুলফিলমেন্ট ন্যাপ | পরিবর্তনশীল | শারীরিক ও মানসিক বিকাশ |
পরিশেষে বলা যায়, ন্যাপিং বা ঝিমিয়ে নেওয়া একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু অতিরিক্ত ন্যাপিং আবার রাতের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই নিজের দেহের প্রয়োজন অনুযায়ী ন্যাপ নেওয়া উচিত।


